লোগো

3 টি ট্যাগ

ট্যাগ ফিল্টার করুন

আত্মনিয়ন্ত্রণআত্মবিশ্বাসউচ্চ মধ্যবিত্তউচ্চবিত্তউৎসবএকক পরিবারএকক সন্তানএকাধিক সন্তানকর্মজীবী পরিবারকল্পনাশক্তিখাদ্যগ্রামীণ পরিবারডিজিটাল শিক্ষানবজাতক শিশুনিম্ন মধ্যবিত্তনিম্নআয়ের পরিবারনিম্নবিত্তনৈতিক শিক্ষাপড়াশোনার অভ্যাসপরামর্শপারিবারিক ঐতিহ্যপিতামাতাপ্যারেন্টিং ইস্যুপ্রারম্ভিক শিক্ষাবই পড়ার অভ্যাসবয়স ০-১বয়স ১-৩বয়স ১০-১৩বয়স ১৩-১৫বয়স ২-৭বয়স ৩-৫বয়স ৫-৭বয়স ৭-১০বাবা ও শিশুবাংলা শিক্ষাবাংলা সংস্কৃতিবাংলাদেশি প্যারেন্টিংবিনোদনভাষা বিকাশমধ্যবিত্তমননশীলতা মনোযোগ বৃদ্ধিমা ও শিশুমানসিক বিকাশমূল্যবোধযৌথ পরিবারশহুরে পরিবারশারীরিক বিকাশশিক্ষণ পদ্ধতিশিক্ষাশিক্ষামূলক খেলাশিশুশিশু যত্নশিশুর আচরণশিশুর আবেগসম্মানবোধসহানুভূতিসাধারণ সমস্যাসামাজিক দক্ষতাসামাজিক মূল্যবোধসৃজনশীলতাস্কুল প্রস্তুতিস্ক্রিন টাইমস্বাস্থ্যহোমওয়ার্ক
পড়তে বসলেই উঠে যায়: শিশুর মনোযোগ কম, নাকি অন্য কোনো সমস্যা?
জিজ্ঞাসা
পড়তে বসলেই উঠে যায়: শিশুর মনোযোগ কম, নাকি অন্য কোনো সমস্যা?

প্রশ্নঃ আমি একজন কর্মজীবী বাবা। আমার ছেলে ৭ বছর বয়সী, ওর ছোট একটা বোন আছে। ও পড়তে বসলে পাঁচ মিনিট পরপর উঠে যায়। কখনো পানি খাবে, কখনো পেন্সিল খুঁজবে, কখনো অন্য কিছু করবে। জোর করলে পড়ে, কিন্তু নিজের থেকে মনোযোগ দিতে পারে না। এটা কি বয়সের কারণে, নাকি অন্য কোনো সমস্যা?

৩ বছরের শিশুর খাবারে অনীহা: বিস্কুট-চিপস ছাড়িয়ে ভালো খাবারে ফেরানোর উপায়
জিজ্ঞাসা
৩ বছরের শিশুর খাবারে অনীহা: বিস্কুট-চিপস ছাড়িয়ে ভালো খাবারে ফেরানোর উপায়

প্রশ্নঃ আমার ছেলে ৩ বছর বয়সী, ওর কোনো ভাইবোন নেই। আগে মোটামুটি সব খাবারই খেত, কিন্তু এখন শুধু বিস্কুট, দুধ আর চিপস খেলেই খুশি। ভাত বা সবজি দেখলেই মুখ ফিরিয়ে নেয়। না খেয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা থাকতে পারে, তবুও ভালো খাবার খেতে চায় না। এটা নিয়ে খুব চিন্তায় আছি।

দাদির আদর আর মায়ের দুশ্চিন্তা: শিশুর খাবার ও মোবাইল অভ্যাস কীভাবে সামলাবেন?
জিজ্ঞাসা
দাদির আদর আর মায়ের দুশ্চিন্তা: শিশুর খাবার ও মোবাইল অভ্যাস কীভাবে সামলাবেন?

প্রশ্ন: আমি একজন চাকরিজীবী মা। আমার ছেলে ১ বছর ৬ মাসের, ওর আর কোনো ভাইবোন নেই। অফিসে যাওয়ার সময় ওকে ওর দাদির কাছে রেখে যাই। সমস্যা হলো, দাদি ওকে খুব আদর করে প্রায়ই চিপস, চকলেট দেন, আবার খাওয়ানোর সময় মোবাইলে কার্টুনও চালিয়ে দেন। আমি এগুলো একদমই চাই না, কিন্তু কিছু বললে উনি কষ্ট পান। এমন অবস্থায় কী করলে সবাইকে সম্মান রেখেও বিষয়টা সামলানো যায়?

সপ্তাহে একদিনের পারিবারিক ঘোরাঘুরি: সন্তানের জন্য অমূল্য উপহার
বিনোদন
সপ্তাহে একদিনের পারিবারিক ঘোরাঘুরি: সন্তানের জন্য অমূল্য উপহার

শাহ আলম সপ্তাহে ছয় দিন রাস্তার পাশে বসে জুতা মেরামতের কাজ করে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ, তারপর সংসারের হিসাব, বাজারের চিন্তা, বাড়িভাড়া, ওষুধ, সব মিলিয়ে জীবনটা যেন প্রতিদিন একই ছন্দে আটকে আছে। তার স্ত্রীও অন্যের বাসায় কাজ করেন। এখন তিনি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা, তাই আগের মতো সবকিছু সামলাতে গিয়ে দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়েন। তিন বছরের ছেলে রাফি বেশিরভাগ সময় ছোট্ট ঘরের ভেতরেই খেলাধুলা করে।

বাবা-মায়ের সম্পর্ক কি সত্যিই শিশুর ব্যক্তিত্ব গঠনে প্রভাব ফেলে?
মূল্যবোধ
বাবা-মায়ের সম্পর্ক কি সত্যিই শিশুর ব্যক্তিত্ব গঠনে প্রভাব ফেলে?

আমি আগে ভাবতাম, সন্তান মানুষ করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তাকে ভালো স্কুলে পড়ানো, ঠিকমতো খাওয়ানো আর ভবিষ্যতের জন্য টাকা জমানো। কিন্তু বাবা হওয়ার পর ধীরে ধীরে একটা বিষয় বুঝতে শুরু করেছি, শিশুরা শুধু আমাদের কথা শুনে বড় হয় না, তারা আমাদের সম্পর্ক “দেখে” বড় হয়।

দৈনন্দিন ছোট অভ্যাস কীভাবে শিশুকে দায়িত্বশীল করে তোলে?
মূল্যবোধ
দৈনন্দিন ছোট অভ্যাস কীভাবে শিশুকে দায়িত্বশীল করে তোলে?

আমি আগে ভাবতাম দায়িত্বশীলতা হয়তো বড় হওয়ার পর শেখে মানুষ। চাকরি, সংসার বা জীবনের চাপ সামলাতে সামলাতেই দায়িত্ববোধ আসে। কিন্তু বাবা হওয়ার পর বুঝলাম, দায়িত্বশীল হওয়ার বীজ আসলে অনেক ছোট বয়স থেকেই তৈরি হয়।

কর্মব্যস্ত বাবার ক্লান্তি কি পরিবারের ওপর প্রভাব ফেলে?
স্বাস্থ্য
কর্মব্যস্ত বাবার ক্লান্তি কি পরিবারের ওপর প্রভাব ফেলে?

অফিস থেকে বাসায় ফিরতে ফিরতে অনেক দিনই আমার মনে হয় আমি যেন পুরোপুরি খালি হয়ে গেছি। সকালে বের হওয়ার সময় বাচ্চারা তখনো আধা ঘুমে থাকে, আর রাতে ফিরতে ফিরতে তারা কেউ খেতে বসেছে, কেউ ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। মাঝে মাঝে আমার চার বছরের ছেলে দৌড়ে এসে খেলতে চায়, মেয়ে কোলে উঠতে চায়। কিন্তু সত্যি কথা বলতে কী, সবসময় সেই শক্তিটা আমার থাকে না।

কর্মীদের সঙ্গে আপনার আচরণ থেকেই শিশু সম্মানবোধ শিখতে পারে
মূল্যবোধ
কর্মীদের সঙ্গে আপনার আচরণ থেকেই শিশু সম্মানবোধ শিখতে পারে

আমাদের বাসায় যেহেতু যৌথ পরিবার, আর আমি ব্যবসার কাজে ব্যস্ত থাকি, তাই গৃহকর্মী বা সহায়তাকারী কর্মীদের উপর অনেক কাজ নির্ভর করে। বিশেষ করে যমজ ছেলে হওয়ার পর বুঝেছি, শিশুকে বড় করতে শুধু মা-বাবা না, বাসার পরিবেশও অনেক বড় ভূমিকা রাখে।

সবচেয়ে দামী খেলনা কি বাবা-মায়ের মনোযোগের বিকল্প হতে পারে?
বিনোদন
সবচেয়ে দামী খেলনা কি বাবা-মায়ের মনোযোগের বিকল্প হতে পারে?

সন্তান হওয়ার পর একটা জিনিস আমি খুব কাছ থেকে বুঝেছি, বাজারে শিশুদের জন্য জিনিসের কোনো শেষ নেই। দামি মিউজিক্যাল খেলনা, স্মার্ট শেখার যন্ত্র, স্বয়ংক্রিয় দোলনা, বিদেশি অ্যাক্টিভিটি সেট দেখে অনেক সময় মনে হয়, “এসব না কিনলে বুঝি শিশুর বিকাশ পিছিয়ে যাবে।” আমাদের মতো উচ্চ-মধ্যবিত্ত পরিবারে এই চাপ আরও বেশি। আত্মীয়স্বজনও অনেক সময় বলেন, “বাচ্চাদের জন্য সেরা জিনিসটাই তো নিতে হবে।” আমিও শুরুতে ভাবতাম, বেশি দামি খেলনা মানেই হয়তো বেশি শেখা।

নবজাতকের সার্বিক বিকাশে বাবা কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারেন?
শিক্ষা
নবজাতকের সার্বিক বিকাশে বাবা কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারেন?

আমাদের দেশে এখনো অনেক পরিবারে খুব সাধারণ একটা ধারণা হলো নবজাতক শিশু মানেই “মায়ের দায়িত্ব”। বাবা মূলত বাইরে কাজ করবে, উপার্জন করবে, আর শিশুর আসল যত্ন নেবে মা ও পরিবারের অন্য নারীরা। যমজ ছেলে হওয়ার আগে আমিও অনেকটা এমনটাই ভাবতাম। মনে হতো, এত ছোট বাচ্চার সাথে “শেখানো” আবার কী!

শিশু শিক্ষার জন্য কার্যকর রুটিন অনুসরণ করানো
শিক্ষা
শিশু শিক্ষার জন্য কার্যকর রুটিন অনুসরণ করানো

ফাহমিদা বেগমের বাসায় পড়াশোনার জন্য আলাদা কোনো শান্ত পরিবেশ নেই। এক রুমের ঘরে টিভির শব্দ, রান্নার আওয়াজ, ছোট ছেলের কান্না এসবকিছুর মাঝেই বড় দুই মেয়েকে পড়তে বসতে হয়। কখনো তারা রাতে পড়ে, কখনো সকালে, আবার কোনোদিন একদমই বসতে চায় না।

বড় সন্তানের উপর ছোট ভাইবোনের দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়া / বড় বোনকে “দ্বিতীয় মা” বানানো কি ঠিক?
মননশীলতা
বড় সন্তানের উপর ছোট ভাইবোনের দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়া / বড় বোনকে “দ্বিতীয় মা” বানানো কি ঠিক?

ফাহমিদা বেগমের বড় মেয়েটার বয়স মাত্র ৯ বছর। কিন্তু অনেক সময় তাকে দেখে মনে হয় সে যেন এই বাসার আরেকজন ছোট মা। সকালে স্কুলে যাওয়ার আগে ছোট ভাইকে খাওয়ানো, বিকেলে তাকে ঘুম পাড়ানো, মা কাজে গেলে নজর রাখা; এসব এখন তার দৈনন্দিন কাজের অংশ। ফাহমিদা নিজেও বুঝতে পারেন, মেয়েটার ওপর দায়িত্ব একটু বেশিই পড়ে যাচ্ছে। কিন্তু উপায়ও যেন খুব বেশি নেই। গার্মেন্টসের চাকরি, সংসারের কাজ, স্বামীর অনিয়মিত আয়, সব মিলিয়ে বড় মেয়েটার সাহায্য ছাড়া অনেক সময় সংসার সামলানো কঠিন হয়ে যায়।

“সবকিছু পেয়ে যাওয়া” শিশুর ব্যক্তিত্বে কী প্রভাব ফেলে?
মূল্যবোধ
“সবকিছু পেয়ে যাওয়া” শিশুর ব্যক্তিত্বে কী প্রভাব ফেলে?

আমি আর আমার husband দুজনই ডাক্তার। আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের মেয়ের কোনো প্রয়োজনীয় জিনিসের অভাব নেই। বই, খেলনা, সুন্দর পোশাক, ভালো স্কুল, ঘুরতে যাওয়া; যতটুকু সম্ভব আমরা ওর জন্য সেরাটাই দেওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু মা হওয়ার পর একটা বিষয় খুব দ্রুত বুঝেছি, সন্তানের প্রতি ভালোবাসা আর সন্তানের সব চাওয়া সঙ্গে সঙ্গে পূরণ করে দেওয়া এক জিনিস না।

শিশুর “সবকিছু আমার প্রাপ্য” মানসিকতা কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন?
মূল্যবোধ
শিশুর “সবকিছু আমার প্রাপ্য” মানসিকতা কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন?

একদিন মেয়েকে নিয়ে শপিং মলে গিয়েছিলাম। ও একটা খেলনা পছন্দ করেছিল। সেদিন সেটি কেনার কোনো পরিকল্পনা ছিল না, তাই আমি বলেছিলাম, “আজ না।” কিন্তু ওর প্রতিক্রিয়া আমাকে একটু অবাক করেছিল। খুব বিরক্ত হয়ে বলছিল, “কেন না? আমি তো এটা চাই!”

শিশুর স্ক্রিন টাইম: শুধু বিনোদন নয়, শেখার সুযোগও হতে পারে
বিনোদন
শিশুর স্ক্রিন টাইম: শুধু বিনোদন নয়, শেখার সুযোগও হতে পারে

আমাদের বাসায় একটা সময় ছিল, যখন স্ক্রিন টাইম নিয়ে আমি খুবই বিরক্ত হয়ে যেতাম। হাসপাতালে দীর্ঘ সময় কাজ শেষ করে বাসায় ফিরে দেখতাম, আমার মেয়ে ট্যাবলেট নিয়ে কার্টুন দেখছে। প্রথমে মনে হতো, পুরো বিষয়টাই একদম বন্ধ করে দিই। কিন্তু পরে বুঝলাম, আজকের সময়ে স্ক্রিন পুরোপুরি এড়িয়ে চলা প্রায় অসম্ভব। বরং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো শিশু স্ক্রিনে কী দেখছে, কতক্ষণ দেখছে, আর কীভাবে ব্যবহার করছে। সত্যি বলতে, সব স্ক্রিন টাইম একরকম না।

দাদা-দাদী, নানা-নানীর সাথে সম্পর্ক শিশুর মানসিক বিকাশে কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
মূল্যবোধ
দাদা-দাদী, নানা-নানীর সাথে সম্পর্ক শিশুর মানসিক বিকাশে কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

আমার ছেলে এখন তিন বছরের। আর ছোট মেয়েটা মাত্র তিন মাসের। আমরা শহরে থাকি, কারণ আমার স্বামীর ব্যবসা এখানে। কিন্তু আমাদের দুই পরিবারের বড়রা যেমন দাদা-দাদী, নানা-নানী, সবাই গ্রামে থাকেন। তাই বছরের ছুটির সময়গুলোতে আমরা গ্রামে যাওয়ার চেষ্টা করি। সত্যি কথা বলতে, আগে আমি ভাবতাম এটা শুধু “আত্মীয়দের সাথে দেখা করা”। কিন্তু মা হওয়ার পর বুঝেছি, এই সম্পর্কগুলো শিশুদের মানসিক ও সামাজিক বিকাশে অনেক বড় ভূমিকা রাখে।

মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য শিশুর স্ক্রিনবিহীন ১০টি বিনোদনমূলক কার্যক্রম
বিনোদন
মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য শিশুর স্ক্রিনবিহীন ১০টি বিনোদনমূলক কার্যক্রম

এখনকার সময়ে ছোট বাচ্চাকে কিছুক্ষণ শান্ত রাখতে গেলেই সবার আগে মোবাইলের কথা মাথায় আসে। সত্যি বলতে, আমি নিজেও এর বাইরে ছিলাম না। আমার ছেলে যখন বেশি কান্না করত বা আমি রান্নার কাজে ব্যস্ত থাকতাম, তখন কার্টুন চালিয়ে দেওয়া অনেক সহজ সমাধান মনে হতো। কিন্তু ধীরে ধীরে খেয়াল করলাম, মোবাইল বেশি দেখার দিনগুলোতে ও বেশি রেগে যাচ্ছে, মনোযোগ কমে যাচ্ছে, আর ছোট ছোট জিনিসেও বিরক্ত হচ্ছে। তখন থেকেই ভাবতে শুরু করি, স্ক্রিন ছাড়া কি ওকে আনন্দ দেওয়া সম্ভব?

ব্যস্ত রুটিনের মাঝেও পরিবারের জন্য সময় রাখা কেন জরুরি?
বিনোদন
ব্যস্ত রুটিনের মাঝেও পরিবারের জন্য সময় রাখা কেন জরুরি?

ব্যস্ততা যেন আমাদের সবাইকে একদম জড়িয়ে ফেলছে। আমার স্বামী সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ব্যবসার কাজে বাইরে থাকে। বাসায় ফিরে ও ক্লান্ত থাকে, এটা খুব স্বাভাবিক। আর আমি সারাদিন দুই বাচ্চা, রান্না, ঘরের কাজ সামলে দিনের শেষে এমন ক্লান্ত হয়ে যাই যে অনেক সময় নিজের সাথেই কথা বলতে ইচ্ছা করে না। এই ব্যস্ততার মধ্যে বুঝতেই পারিনি যে আমরা একই বাসায় থাকলেও, পরিবারের সাথে খুবই কম পরিমান সময় কাটানো হচ্ছে।

শরীরচর্চামূলক খেলাধুলা
বিনোদন
শরীরচর্চামূলক খেলাধুলা

শাহ আলমের ছেলে রাফির বয়স তিন বছর। ছোট্ট বাসা, চারপাশে ব্যস্ত রাস্তা, খেলাধুলার জন্য বড় মাঠও খুব একটা নেই। তাই বেশিরভাগ সময় রাফি বাসার ভেতরেই থাকে। কখনো মায়ের মোবাইলে ভিডিও দেখে, কখনো ছোট গাড়ি নিয়ে খেলে। কিন্তু রাফি খুব দ্রুত বিরক্ত হয়ে যায়, রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে চায় না, আবার ছোট্ট কিছুতেই রেগে যায় বিষয়গুলো এক সময় শাহ আলম খেয়াল করতে শুরু করেছিল। একদিন পাশের এলাকার এক স্বাস্থ্যকর্মী তাকে বললেন, “বাচ্চাদের শরীরচর্চামূলক খেলাধুলা খুব দরকার।” প্রথমে শাহ আলম ভাবল, “এই ছোট্ট বাচ্চা আবার কী শরীরচর্চা করবে?” আসলে ছোট শিশুদের জন্য শরীরচর্চা মানে জিম বা ব্যায়াম না। দৌড়ানো, লাফানো, বল গড়ানো, হাত-পা নেড়ে খেলা, এসবই তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শরীরচর্চামূলক খেলাধুলা।

হাতে তৈরি লার্নিং রিসোর্স
শিক্ষা
হাতে তৈরি লার্নিং রিসোর্স

শাহ আলমের ছেলে রাফির বয়স এখন তিন বছর। আশেপাশের অনেক বাচ্চার হাতে রঙিন বই বা খেলনা দেখে মাঝে মাঝে তার খারাপ লাগে। বাজারে গেলে সে দেখে অক্ষর শেখার বোর্ড, সংখ্যা শেখার খেলনা, কথা বলা পুতুল সহ কত কিছু। কিন্তু মাসের শেষে ভাড়া, বাজার আর ওষুধের খরচ মিটিয়ে এসব কেনা প্রায় অসম্ভব।

সংগ্রামী পরিবেশে শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়ানো
মননশীলতা
সংগ্রামী পরিবেশে শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়ানো

শাহ আলমের ছেলে রাফির বয়স এখন তিন বছর। ছোট্ট একটা ঘরে তাদের সংসার। বাইরে রাস্তার শব্দ, পাশের ঘরের মানুষের ঝগড়া, কখনো টাকার চিন্তা, সব মিলিয়ে পরিবেশটা খুব শান্ত না। তবুও শাহ আলম একটা জিনিস খুব খেয়াল করে। রাফি যখন কিছু করতে গিয়ে ভয় পায়, বা “আমি পারবো না” বলে পিছিয়ে যায়, তখন তার নিজের বুকটাও কেমন হালকা কেঁপে ওঠে। কারণ সে জানে, অভাবের মধ্যে বড় হওয়া শিশুরা অনেক সময় খুব ছোট বয়স থেকেই নিজের সম্পর্কে হীনমন্যতায় ভুগতে শুরু করে।

নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস দিয়ে ক্রিয়েটিভ খেলনা বানানো
মননশীলতা
নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস দিয়ে ক্রিয়েটিভ খেলনা বানানো

শাহ আলম প্রায়ই একটা ব্যাপার খেয়াল করে। সারাদিন রাস্তার পাশে বসে জুতা সেলাই করার পর যখন বাসায় ফেরে, তার তিন বছরের ছেলে রাফি মোবাইল দেখতে চায়। বাসার এক কোণে বসে থাকা ছেলেটার জন্য নতুন খেলনা কেনার সামর্থ্য সবসময় থাকে না। বাজারে চাল, ডাল, ওষুধ, এসবের দাম সামলাতেই মাস শেষ হয়ে যায়।

স্ক্রিন ছাড়াও কি শিশুর বিনোদন সম্ভব?
বিনোদন
স্ক্রিন ছাড়াও কি শিশুর বিনোদন সম্ভব?

আমি একজন চাকরিজীবী বাবা। সত্যি কথা বলতে কী, অনেক সময় ক্লান্তির কারণে মোবাইল বা কার্টুন আমাদের জন্য সহজ সমাধান হয়ে যায়। অফিস থেকে ফিরে যখন মাথা আর কাজ করতে চায় না, তখন বাচ্চাকে কিছুক্ষণ স্ক্রিনের সামনে বসিয়ে রাখাটা বেশ সহজ মনে হয়। আমিও করেছি। বিশেষ করে আমার চার বছরের ছেলে খুব দ্রুত ইউটিউব আর কার্টুনের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছিল। একসময় এমন হয়েছিল, মোবাইল না দিলে সে বিরক্ত হয়ে যেত। তখন আমি আর ওর মা বুঝলাম, বিষয়টা নিয়ে একটু সচেতন হওয়া দরকার।

শিশুর শিক্ষায় বাবার সক্রিয় অংশগ্রহণ কেন গুরুত্বপূর্ণ?
শিক্ষা
শিশুর শিক্ষায় বাবার সক্রিয় অংশগ্রহণ কেন গুরুত্বপূর্ণ?

আমি ছোটবেলায় একটা জিনিস খুব বেশি দেখেছি, পরিবারের পড়াশোনার দায়িত্ব সাধারণত মায়ের ওপরই বেশি থাকত। বাবা সংসারের খরচ চালাতেন, আর মা দেখতেন স্কুল, হোমওয়ার্ক, খাতা আর পরীক্ষার বিষয়গুলো। এখন নিজে বাবা হওয়ার পর বুঝছি, এই ধারণাটা এখনো অনেক পরিবারে আছে।

শিশুর শিক্ষায় অনলাইন রিসোর্সের সঠিক ব্যবহার
শিক্ষা
শিশুর শিক্ষায় অনলাইন রিসোর্সের সঠিক ব্যবহার

কয়েক বছর আগেও আমি ভাবতাম পড়াশোনা মানেই বই-খাতা আর স্কুল। কিন্তু এখন সময় অনেক বদলে গেছে। এখন ছোট শিশুরাও ইউটিউবে ছড়া দেখে, মোবাইল অ্যাপে অক্ষর শেখে, অনলাইন গেমের মাধ্যমে সংখ্যা চর্চা করে। একজন বাবা হিসেবে আমিও ধীরে ধীরে বিভিন্ন অনলাইন রিসোর্স ব্যবহার করতে শিখছি। তবে একটা জিনিস খুব দ্রুত বুঝেছি, ইন্টারনেটে শিক্ষামূলক কনটেন্ট অনেক আছে ঠিকই, কিন্তু সব কনটেন্ট সমানভাবে উপকারী নয়। আবার অনলাইন শেখা যদি ভারসাম্য ছাড়া হয়, তাহলে সেটার নেতিবাচক প্রভাবও থাকতে পারে।

ঘুমের অভাব শিশুর শেখার ক্ষমতাকে কীভাবে প্রভাবিত করে?
স্বাস্থ্য
ঘুমের অভাব শিশুর শেখার ক্ষমতাকে কীভাবে প্রভাবিত করে?

বাবা হওয়ার আগে আমি ভাবতাম শিশুদের ঘুম মানে শুধু বিশ্রাম। বাচ্চা ঘুমালে শান্ত থাকে, কম কান্না করে, এই পর্যন্তই। কিন্তু সন্তান বড় হতে শুরু করার পর বুঝলাম, ঘুম আসলে শিশুর শেখা, আচরণ, মনোযোগ, এমনকি মস্তিষ্কের বিকাশের সাথেও গভীরভাবে জড়িত। আমার চার বছরের ছেলে যখন রাতে ঠিকমতো ঘুমায় না, পরের দিন সেটা খুব স্পষ্ট বোঝা যায়। ছোট ছোট বিষয়েও রেগে যায়, মনোযোগ ধরে রাখতে পারে না, কখনো খেলতে খেলতেই বিরক্ত হয়ে পড়ে। আগে ভাবতাম হয়তো মুড খারাপ। পরে বুঝলাম, অনেক সময় সমস্যার মূল কারণ ঘুমের অভাব।

শিশুর সাথে প্রতিদিন কমপক্ষে ১৫ মিনিট Quality Time কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
মননশীলতা
শিশুর সাথে প্রতিদিন কমপক্ষে ১৫ মিনিট Quality Time কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

আমি একজন চাকরিজীবী বাবা। সকাল থেকে অফিস ও সংসারের দায়িত্ব সামলিয়ে দিনের শেষে মনে হয় নিজের জন্যই সময় থাকে না। কিন্তু বাবা হওয়ার পর বুঝতে পারলাম শিশুদের সবসময় অনেক খেলনা, দামি জিনিস বা বড় আউটিং দরকার হয় না। অনেক সময় তারা শুধু চায় বাবা-মা একটু মন দিয়ে তাদের পাশে বসুক।

শিশুর মধ্যে কৌতূহল গড়ে তোলার উপায়
শিক্ষা
শিশুর মধ্যে কৌতূহল গড়ে তোলার উপায়

যমজ ছেলে হওয়ার পর একটা বিষয় আমি খুব কাছ থেকে বুঝতে শুরু করেছি, ছোট শিশুরা পৃথিবীকে আমাদের মতো দেখে না। আমরা যেখানে একটা সাধারণ চামচ দেখি, ওরা সেখানে নতুন একটা শব্দ, নতুন একটা স্পর্শ, নতুন একটা অভিজ্ঞতা খুঁজে পায়। কয়েকদিন আগে আমার এক ছেলে অনেকক্ষণ ধরে পর্দার নড়াচড়া দেখছিল। বাতাসে কাপড় দুলছে, আর সে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে। তখন হঠাৎ মনে হলো, কৌতূহল যেন শিশুদের ভেতরে থাকা এক স্বাভাবিক শক্তি।

শিশুর জন্য নিয়মিত ঘুমের অভ্যাস কীভাবে গড়ে তুলবেন?
স্বাস্থ্য
শিশুর জন্য নিয়মিত ঘুমের অভ্যাস কীভাবে গড়ে তুলবেন?

যমজ সন্তান হওয়ার পর আমি আর আমার স্ত্রী খুব দ্রুত একটা জিনিস বুঝে গিয়েছিলাম, শিশুকে বড় করার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হলো ঘুম। রাতের পর রাত এমন গেছে, যখন একজন ঘুমালেই আরেকজন জেগে উঠত। একজনকে কোলে নিয়ে ঘুম পাড়াতে না পাড়াতেই অন্যজন কান্না শুরু করত। অনেক সময় মনে হতো, আমরা যেন পালা করে শুধু বাচ্চা সামলাচ্ছি, ঘুমানোর সুযোগই পাচ্ছি না।

কোন বয়স থেকে বাচ্চার পড়াশোনা শুরু করা উচিত?
শিক্ষা
কোন বয়স থেকে বাচ্চার পড়াশোনা শুরু করা উচিত?

আমার মেয়ের বয়স এখন তিন মাস। এত ছোট একটা বাচ্চাকে দেখে অনেকেই মজা করে বলে, “এখন থেকেই আবার কী শেখাবে?” কিন্তু মজার বিষয় হলো, আমি আর আমার স্বামী এখন থেকেই ওকে বই পড়ে শোনাই। অনেকের কাছে এটা অদ্ভুত লাগতে পারে। কারণ আমাদের দেশে এখনও অনেকেই মনে করেন, পড়াশোনা মানেই খাতা-কলম, অ আ ক খ বা ABC শেখানো। কিন্তু শিশুদের শেখা আসলে এর অনেক আগেই শুরু হয়।

অতিরিক্ত সুরক্ষামূলক সন্তান পালন কি শিশুদের আত্মবিশ্বাসের উপর প্রভাব ফেলে?
মননশীলতা
অতিরিক্ত সুরক্ষামূলক সন্তান পালন কি শিশুদের আত্মবিশ্বাসের উপর প্রভাব ফেলে?

নতুন বাবা হওয়ার পর আমি একটা বিষয় বুঝতে পারলাম যে সন্তান জন্মের সাথে সাথে বাবা-মায়ের ভয়ও জন্ম নেয়। “পড়ে যাবে না তো?”, “অসুস্থ হবে না তো?”, “কাঁদছে কেন?”, “এটা ধরলে সমস্যা হবে না তো?” এই চিন্তাগুলো খুব স্বাভাবিক।

শিশুকে অস্বাস্থ্যকর খাবারের অভ্যাস থেকে দূরে রাখার উপায়
স্বাস্থ্য
শিশুকে অস্বাস্থ্যকর খাবারের অভ্যাস থেকে দূরে রাখার উপায়

আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারে একটা বাস্তবতা আছে। বাবা-মা সবসময় একদম স্বাস্থ্যকর খাবার প্রস্তুত করে দিতে পারেন না। আমি অফিস থেকে ক্লান্ত হয়ে ফিরি, স্ত্রীও সারাদিন দুই বাচ্চা সামলাতে সামলাতে ক্লান্ত হয়ে যায়। তখন সহজ সমাধান হিসেবে বিস্কুট, চিপস বা অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার অনেক সময় হাতের কাছেই থাকে। কিন্তু শিশুদের অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি আসক্তি ধীরে ধীরে বড় সমস্যায় পরিণত হতে পারে।

“মোবাইল না দিলে কান্না” এর পেছনের মানসিক কারণ
মননশীলতা
“মোবাইল না দিলে কান্না” এর পেছনের মানসিক কারণ

আমার ছেলেটার বয়স এখন তিন বছর। কিছুদিন আগেও একটা সময় ছিল, যখন মোবাইল না দিলে ও এমন কান্না করত যে আমি সত্যি ভয় পেয়ে যেতাম। রান্না করছি, ছোট মেয়েটাকে সামলাচ্ছি, ঘরের কাজ বাকি, এই অবস্থায় চুপ করানোর সবচেয়ে সহজ উপায় ছিল মোবাইল হাতে ধরিয়ে দেওয়া। শুরুতে ব্যাপারটা নিরাপদ মনে হয়েছিল। কার্টুন দেখছে, ছড়া শুনছে, আমি একটু কাজ করতে পারছি, খারাপ কী? কিন্তু ধীরে ধীরে খেয়াল করলাম, মোবাইল বন্ধ করলেই রাগ, কান্না, জিনিস ছোড়া, খেতে না চাওয়া, এসব আচরণ বাড়ছে। তখন বুঝলাম, এটা শুধু “বাচ্চার জেদ” না, এর পেছনে মানসিক কারণও আছে।

টুইন বেবিদের ওভারল স্বাস্থ্য সচেতনতা
স্বাস্থ্য
টুইন বেবিদের ওভারল স্বাস্থ্য সচেতনতা

টুইন বেবি সামলানো যেমন আনন্দের, তেমন দ্বিগুণ দায়িত্বও। একজন বাবু একটু কাশি দিলেই মাথায় প্রশ্ন আসে- “এবার কি আরেকজনেরও হবে?” আমাদের মতো যৌথ পরিবারে যেখানে বাসায় অনেক মানুষ, অতিথি আসা-যাওয়া, কোলে নেওয়া- সেখানে এই ভয় আরও বাস্তব। পুরোপুরি সব অসুখ আটকানো সম্ভব না, কিন্তু ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

যৌথ পরিবার কি শিশুর ব্যক্তিসত্তার বিকাশে সাহায্য করে?
মননশীলতা
যৌথ পরিবার কি শিশুর ব্যক্তিসত্তার বিকাশে সাহায্য করে?

আমাদের দেশে যৌথ পরিবার এখনো অনেক পরিবারের বাস্তবতা। বিশেষ করে সন্তান জন্মের পর দাদা-দাদী, নানা-নানী, চাচা-ফুপু বা খালা-মামাদের উপস্থিতি শিশুর বেড়ে ওঠায় একটা বিস্তার ভূমিকা রাখে। একটি শিশু শুধু মা-বাবার কাছ থেকেই না, পুরো পরিবারের পরিবেশ থেকেই নিজের পরিচয় বা Identity গঠন করতে শুরু করে।

ভাইবোনদের একসাথে খেলাধুলার উপকারিতা
বিনোদন
ভাইবোনদের একসাথে খেলাধুলার উপকারিতা

ফাহমিদা বেগমের বাসায় আলাদা খেলনার বাক্স নেই, বড় কোনো খেলার ঘরও নেই। কিন্তু বিকেল হলেই তার তিন সন্তান মিলে পুরো ঘরটাকে যেন খেলাধুলার দুনিয়া বানিয়ে ফেলে। কখনো বড় দুই বোন ছোট ভাইকে নিয়ে “স্কুল স্কুল” খেলে, কখনো বালিশ দিয়ে ঘর বানায়, কখনো আবার ঝগড়া করতে করতেই আবার খেলতে শুরু করে।

আপনার Privileged সন্তান কে সহানুভূতি শেখাবেন কীভাবে?
মূল্যবোধ
আপনার Privileged সন্তান কে সহানুভূতি শেখাবেন কীভাবে?

প্রতিদিনের ব্যস্ত হসপিটাল রুটিনের মধ্যে মেয়ের ছোট ছোট বিষয়গুলো অনেক সময় খুব গভীরভাবে খেয়াল করা হয় না। সকালে তাড়াহুড়া, ডিউটি, ইমার্জেন্সি কল- সব মিলিয়ে দিনগুলো যেন খুব দ্রুত চলে যায়। এর মাঝেও একটা ব্যাপারে আমি সবসময় চেষ্টা করি, আমার মেয়েটার যেন কোনো অভাব না থাকে। হয়তো এই কারণেই ওর প্রয়োজনের আগেই অনেক কিছু রেডি থাকে। নতুন বই, খেলনা, পছন্দের খাবার, প্রাইভেট ক্লাস - সবকিছুই কোনভাবে অ্যারেঞ্জ হয়ে যায়।

গল্প বলা শিশুর কল্পনাশক্তি বাড়ায় কিভাবে?
বিনোদন
গল্প বলা শিশুর কল্পনাশক্তি বাড়ায় কিভাবে?

শাহ আলম রাতে কাজ শেষে বাসায় ফিরলে তার তিন বছরের ছেলে রাফি প্রায়ই বলে, “আব্বু, গল্প বলো।” প্রথমদিকে শাহ আলম অস্বস্তিতে পড়ে যেত। সে তো খুব বেশি পড়াশোনা জানে না, বইয়ের গল্পও মুখস্থ নেই। তাই মাঝে মাঝে এড়িয়ে যেত। কিন্তু এক রাতে বিদ্যুৎ চলে গিয়েছিল। অন্ধকার ঘরে বসে সে হঠাৎ বানিয়ে বানিয়ে একটা গল্প বলা শুরু করে, একটা ছোট্ট বিড়াল আর হারিয়ে যাওয়া লাল জুতার গল্প। গল্প শেষ হওয়ার পর রাফির চোখদুটো চকচক করছিল। পরদিনও সে একই গল্প আবার শুনতে চাইল। সেদিন শাহ আলম বুঝতে পারে, শিশুর কাছে গল্প শুধু বিনোদন না, এটা তার চিন্তা করার জগৎ খুলে দেয়।

বাবা-সন্তানের বন্ধন মজবুত করতে উইকএন্ড Activities এর ভূমিকা
বিনোদন
বাবা-সন্তানের বন্ধন মজবুত করতে উইকএন্ড Activities এর ভূমিকা

আমি একজন চাকরিজীবী বাবা। সপ্তাহের ছয় দিনই প্রায় অফিস, ট্রাফিক আর দায়িত্বের মধ্যে চলে যায়। সকালে বের হওয়ার সময় বাচ্চারা আধা ঘুমে থাকে, আর রাতে ফিরতে ফিরতে অনেক সময় তারা ঘুমানোর প্রস্তুতি নেয়। ফলে পুরো সপ্তাহে সন্তানদের সাথে কোয়ালিটি টাইম খুব সীমিত হয়ে যায়। তাই এখন উইকএন্ড আমার কাছে শুধু বিশ্রামের দিন না, এটা সন্তানদের সাথে রিকানেক্ট করারও সময়। আগে উইকএন্ড মানেই ছিল ঘুম, বাজার আর বাসার কাজ শেষ করা। কিন্তু ধীরে ধীরে বুঝলাম, শিশুদের জন্য বাবা-মায়ের উপস্থিতি খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বাবার সাথে অ্যাকটিভ ইন্টারঅ্যাকশন শিশুদের অনুভূতির বিকাশ, আত্মবিশ্বাস এবং সামাজিক দক্ষতা এর উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

যৌথ পরিবারে সন্তান পালন
মূল্যবোধ
যৌথ পরিবারে সন্তান পালন

যমজ ছেলে হওয়ার পর আমি একটা জিনিস খুব দ্রুত বুঝতে পারলাম, সন্তান লালন-পালন শুধু মা-বাবার বিষয় না, বিশেষ করে যৌথ পরিবারে। আমাদের বাসায় বাচ্চাদের নিয়ে সবার আলাদা মতামত আছে। কেউ বলে বেশি কোলে নিলে অভ্যাস খারাপ হবে, কেউ বলে শিশুকে কান্না করতে দেওয়া উচিত না। কেউ চায় পুরোনো নিয়ম মেনে চলতে, আবার আমরা অনেক সময় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণ করতে চাই।

বাবা-সন্তানের দূরত্ব কমাতে যেসব খেলা সাহায্য করে
বিনোদন
বাবা-সন্তানের দূরত্ব কমাতে যেসব খেলা সাহায্য করে

ব্যবসার কাজের কারণে আমার দিনের বড় একটা সময় বাইরে কাটে। তাই যমজ ছেলেরা জন্মানোর পর প্রথম কয়েক মাস আমার ভেতরে একটা অদ্ভূত ভয় কাজ করত, “ওরা কি আমাকে যথেষ্ট চিনবে?”, “মায়ের সাথে যেমন কম্ফোর্ট ফিল করে, আমার সাথেও কি করবে?” শুরুতে আমি ভাবতাম, শিশুর সঙ্গে গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলা মানে অনেক বড় কিছু। পরে বুঝলাম, ছোট ছোট মুহূর্তই আসলে সবচেয়ে দৃঢ় সম্পর্ক তৈরি করে। আর শিশুর সঙ্গে সেই সম্পর্ক গড়ে তোলার সবচেয়ে স্বাভাবিক উপায়গুলোর একটি হলো “খেলা”।

শিশুর শিক্ষামূলক ভিডিও: সাহায্য করে নাকি ক্ষতি করে?
শিক্ষা
শিশুর শিক্ষামূলক ভিডিও: সাহায্য করে নাকি ক্ষতি করে?

যমজ ছেলে হওয়ার পর আমাদের বাসায় একটা জিনিস খুব কমন হয়ে গিয়েছিল, ইউটিউব রেকমেন্ডেশন। কেউ বলছে “এই ভিডিও দিলে বাচ্চা ABC শিখবে”, কেউ বলছে “এই ছড়া শুনলে বাচ্চা শান্ত থাকে”, আবার কেউ বলছে “আজকালকার বাচ্চারা মোবাইল দিয়েই দ্রুত শেখে।” সত্যি বলতে, আমিও একসময় কৌতূহল থেকে “শিশুদের শিক্ষামূলক ভিডিও” চালিয়ে দেখেছিলাম। উজ্জ্বল রং, আকর্ষণীয় মিউজিক, নড়াচড়া করা শেপস ইত্যাদি দেখে মনে হয় সত্যিই শিক্ষামূলক কিছু। কিন্তু পরে বিষয়টা নিয়ে পড়াশোনা করতে গিয়ে বুঝলাম, ব্যাপারটা আসলে এতটা সহজ না।

দামী খেলনার চেয়ে Meaningful play কেন বেশি জরুরি
বিনোদন
দামী খেলনার চেয়ে Meaningful play কেন বেশি জরুরি

আমি আর আমার স্বামী দুজনই পেশাজীবী। তাই মেয়ের জন্য কিছু কিনতে গেলে সবসময় চেষ্টা করি ভালো জিনিসটাই কিনতে। একসময় মনে হতো, বেশি দামি খেলনা মানেই হয়তো বেশি শেখা, বেশি উন্নতি। বাসার এক কোণে ব্যাটারি চালিত খেলনা, কথা বলা পুতুল, গান বাজানো খেলনাসহ অনেক খেলনা জমে গিয়েছিল। কিন্তু একটা সময় আমি বুঝতে পারলাম, ব্যাটারি চালিত খেলনার চেয়ে ইন্টারেক্টিভ খেলনা শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ব্যাটারি চালিত খেলনায় শিশুরা সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারে না; তারা শুধু দেখে যায়।

ভাই-বোনের সম্পর্ক মজবুত করতে ঘরোয়া খেলাধুলার গুরুত্ব
বিনোদন
ভাই-বোনের সম্পর্ক মজবুত করতে ঘরোয়া খেলাধুলার গুরুত্ব

আমি আর আমার স্বামী এখন একটা বিষয় নিয়ে প্রায়ই ভাবি, কীভাবে ছেলেমেয়েদের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই সুন্দর সম্পর্ক তৈরি করা যায়। যদিও এখনো ওদের সেরকমভাবে খেলার বয়স হয়নি যেহেতু মেয়েটার বয়স মাত্র ৩ মাস। আমি আশেপাশে অনেক পরিবারেই দেখেছি, ভাইবোন একই ঘরে বড় হলেও তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়ে যায়। আবার কিছু ভাইবোন আছে, যারা বড় হয়েও একে অপরের সবচেয়ে বড় ভরসা হয়।

অতিরিক্ত রুটিন কি শিশুর স্বাভাবিক আবেগ কমিয়ে দেয়?
মননশীলতা
অতিরিক্ত রুটিন কি শিশুর স্বাভাবিক আবেগ কমিয়ে দেয়?

আমার মেয়ের বয়স এখন পাঁচ। আর সত্যি বলতে, ওর দৈনন্দিন রুটিন কখনো কখনো আমার নিজের ছোটবেলার পুরো সপ্তাহের রুটিনের থেকেও বেশি গোছানো মনে হয়। স্কুল, আর্ট ক্লাস, ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ, ইংরেজি চর্চা, ইত্যাদি সব মিলিয়ে ওর সময় প্রায় পুরোটা আগেই ভাগ করা থাকে।

শিশুর সাথে মা-বাবার ইমোশনাল বন্ডিং
মননশীলতা
শিশুর সাথে মা-বাবার ইমোশনাল বন্ডিং

মা হওয়ার আগে আমি ভাবতাম বাচ্চাকে ভালো খাবার দেওয়া, পরিষ্কার রাখা আর ভালো স্কুলে ভর্তি করানোর চিন্তাটাই বুঝি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু মা হওয়ার পর বুঝেছি, শিশুর জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় জিনিসগুলোর একটি হলো বাবা-মায়ের সাথে ইমোশনাল বন্ডিং বা মানসিক সংযোগ।

বাচ্চাদের মনের বিকাশ: খেলাধুলা ও বইপড়া
শিক্ষা
বাচ্চাদের মনের বিকাশ: খেলাধুলা ও বইপড়া

আমরা অনেক সময় আমাদের শিশুরা যখন খেলতে বসে, তখন তাকে থামিয়ে দিয়ে পড়তে বসাই বা যখন বই নিয়ে বসে, তখন তাকে খেলতে পাঠাই। আমরা বইপড়া ও খেলাধুলাকে অনেক সময় আলাদা করে দেখি, কিন্তু সত্যিটা হলো খেলাধুলা এবং বইপড়া দুইটিই শিশুর জন্য সমান গুরুত্বের এবং এগুলো একসাথে শিশুর মনের সঠিক বিকাশে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকা রাখে।

শিশুকে নিজের দেশের সংস্কৃতি জানাতে উৎসাহিত করা
মূল্যবোধ
শিশুকে নিজের দেশের সংস্কৃতি জানাতে উৎসাহিত করা

সচেতন অভিভাবক হিসেবে আমাদের একটি গুরু দায়িত্ব হচ্ছে আমাদের শিশুকে নিজের দেশের সংস্কৃতি জানাতে উৎসাহিত করা, কেননা এটি একটি শিশুর পরিচয়, মূল্যবোধ এবং মানসিক গঠনের সাথে গভীরভাবে জড়িত। একটি শিশু যখন ছোটবেলা থেকেই নিজের দেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে শুরু করে, তখন সে নিজের শিকড় সম্পর্কে সচেতন হয় এবং নিজের পরিচয় নিয়ে গর্ববোধ করতে শেখে। নিজের দেশের সংস্কৃতি জানার মাধ্যমে একটি শিশু বুঝতে পারে তার ভাষা, ঐতিহ্য, ইতিহাস এবং সমাজের গুরুত্ব কী। এই কারণেই শিশুকে নিজের দেশের সংস্কৃতি শেখানো শুধু একটি অতিরিক্ত বিষয় নয়, বরং তার সঠিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত জরুরি। নিজের দেশের সংস্কৃতি একটি শিশুর আত্মপরিচয় গঠনে সহায়তা করে এবং তাকে আত্মবিশ্বাসীও করে তোলে।

শিশুর আত্মপরিচয় ও আত্মসম্মান গড়ে তোলা
মননশীলতা
শিশুর আত্মপরিচয় ও আত্মসম্মান গড়ে তোলা

শিশুর সুস্থ মানসিক বিকাশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিষয় হচ্ছে আত্মপরিচয় (Self-Identity) ও আত্মসম্মান (Self-Esteem) । আত্মপরিচয় বলতে বোঝায় একটি শিশু ধীরে ধীরে বুঝতে শেখে সে কে, তার কী কী গুণ আছে, সে কী করতে পারে এবং কোন কাজগুলো করতে তার ভালো লাগে।

শিশুর কল্পনা ও গল্প বলার ক্ষমতা উন্নয়ন
মননশীলতা
শিশুর কল্পনা ও গল্প বলার ক্ষমতা উন্নয়ন

একটি শিশুর মানসিক বিকাশে কল্পনা (Imagination) এবং গল্প বলার ক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ছোটবেলা থেকেই যদি শিশুর কল্পনাশক্তিকে সঠিকভাবে উৎসাহ দেওয়া যায়, তাহলে সে শুধু সৃজনশীল (Creative) হয় না, বরং তার ভাষাগত দক্ষতা, চিন্তাভাবনা করার ক্ষমতা এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতাও অনেক উন্নত হয়। একটি শিশু যখন নিজের মতো করে গল্প তৈরি করে বা কিছু কল্পনা করে, তখন সে আসলে নিজের ভেতরের চিন্তা, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাকে প্রকাশ করার সুযোগ পায়।

শিশুর সমাজবোধ ও সহযোগিতা শেখানো
মূল্যবোধ
শিশুর সমাজবোধ ও সহযোগিতা শেখানো

শিশুর জীবনের শেখার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে শুধু নিজের জন্য নয়, অন্যের জন্য চিন্তা করা,সহযোগিতা করা এবং সমাজের সাথে মিলেমিশে থাকা আয়ত্ত করা। এই গুণগুলো শিশুর মানসিক বিকাশ, সামাজিক দক্ষতা এবং সবার সাথে সুসম্পর্ক গড়ার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। যখন একটি শিশু ছোট বেলায় অন্যকে সাহায্য করা, অন্যের সাথে ভাগ করা এবং একসাথে কাজ করার অভ্যাস করে, তখন সে ধীরে ধীরে বুঝতে শেখে যে তার আচরণ এবং সিদ্ধান্ত অন্যের উপর প্রভাব ফেলে। এই উপলব্ধি তাকে দায়িত্ববোধ, সমবেদনা এবং ইতিবাচক সামাজিক আচরণ গড়ে তুলতে সাহায্য করে।

সৃজনশীলতা ও দক্ষতা উন্নয়ন (ছবি আঁকা)
মননশীলতা
সৃজনশীলতা ও দক্ষতা উন্নয়ন (ছবি আঁকা)

ছবি আঁকা হচ্ছে শিশুর মনের ভাষা প্রকাশের একটি বড় মাধ্যম। একটি শিশু যখন তার চারপাশের পরিবেশ দেখে তখন সে ঐ পরিবেশ থেকে যা উপলব্ধি করে তা সে ছবি আঁকার মাধ্যমে প্রকাশ করে। আমরা অভিভাবকরা অনেক সময় ভেবে থাকি ছবি আঁকা মানে কেবল কিছু আঁকিবুঁকি আর রং করা কিন্তু ছবি আঁকা হচ্ছে মূলত শিশুদের মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

শিশুর সৃজনশীলতা বিকাশের মাধ্যম
মননশীলতা
শিশুর সৃজনশীলতা বিকাশের মাধ্যম

শিশুর সৃজনশীলতা তার চিন্তাভাবনা, কল্পনাশক্তি এবং যেকোনো ধরণের সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একটি শিশু যখন নতুন কিছু ভাবতে পারে, নিজের মতো করে কিছু তৈরি করতে পারে বা কোনো সমস্যার ভিন্ন সমাধান খুঁজে বের করতে পারে, সেটিই তার সৃজনশীলতার প্রকাশ। সৃজনশীলতা শিশুদের আত্মবিশ্বাস, মনোযোগ এবং ধৈর্য বাড়ানোর পাশাপাশি সামাজিক দক্ষতাও বাড়ায়। মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, সৃজনশীল কাজ শিশুদের মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ সক্রিয় করে এবং শেখার প্রক্রিয়াকে আরও আনন্দময় করে তোলে, ফলে তারা বিষয়গুলো খুব সহজে বোঝতে সক্ষম হয়।

স্ক্রিন টাইম পরিমিত রাখার উপায়
মননশীলতা
স্ক্রিন টাইম পরিমিত রাখার উপায়

ডিজিটাল এই যুগে শিশুদের জন্য স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, কম্পিউটার বা টিভি ব্যবহার এখন একেবারেই স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। কিন্তু বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম শিশুদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। যেমন চোখের সমস্যা, ঘুমের ঘাটতি, মনোযোগের অভাব, ধৈর্য কমে যাওয়া এবং সামাজিক দক্ষতা কমে যাওয়া ইত্যাদি। যদিও বর্তমান যুগে শূন্য স্ক্রিন টাইম প্রায় অসম্ভব কিন্তু স্ক্রিন টাইম পরিমিত রাখা সম্ভব। তাছাড়া যদি স্ক্রিন টাইম একেবারে শূন্য রাখা হয় তবে বাচ্চারা বর্তমান বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে নতুন নতুন টেকনোলজির সাথে পরিচিত হতে পারবে না বা পিছিয়ে পড়বে। কেননা শিশুরা বিভিন্নধরণের শিক্ষামূলক ইন্টারেক্টিভ কনটেন্টের মাধ্যমে নতুন নতুন বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে খুব সহজেই জানতে পারে। সেটি হতে পারে বিজ্ঞান সম্পর্কে, মহাবিশ্ব সম্পর্কে আবার নিজেদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ইত্যাদি নানা বিষয় সম্পর্কে।

স্ক্রিন টাইম
মননশীলতা
স্ক্রিন টাইম

বর্তমান সময়ে আমাদের মা-বাবাদের সময় উপযোগী একটি অভিযোগ হচ্ছে বাচ্চা মোবাইলে আসক্ত। কিন্তু আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি সময়ের সাথে সাথে বাচ্চা কেনো মোবাইলে আসক্ত হয়ে যাচ্ছে? এই আসক্তি কি হঠাৎ করে শুরু নাকি ধীরেধীরে অনেক সময় নিয়ে তৈরি হয়েছে?